একছেলে সিগারেট খাচ্ছিল দেখে এক মেয়ে জিগ্যেস করলো আচ্ছা আপনি কতবছর ধরে সিগারেট খান??

একছেলে সিগারেট খাচ্ছিল দেখে এক মেয়ে জিগ্যেস করলো আচ্ছা আপনি কতবছর ধরে সিগারেট খান??
ছেলেঃ কেন??
মেয়েঃ নাহ মানে আমি বলতে চাচ্ছি আপনে যদি সিগারেট খেয়ে এত টাকা নষ্ট না করতেন তাহলে সামনের ওই কারটা(একটা গাড়ি দেখিয়ে) হয়তো আজ আপনার হতে পারত!
ছেলেঃআপনি কি সিগারেট খান??
মেয়েঃ নাহ!
ছেলেঃ সামনের অই কার টা কি আপনা

মালিক : আমাদের দোকানে যে পচা ডিমগুলো ছিলো, সেগুলো কে কিনলো??

মালিক : আমাদের দোকানে যে পচা ডিমগুলো ছিলো, সেগুলো কে কিনলো??
কর্মচারী : লিয়াকত সাহেব।
মালিক : গত বছরের পাচ কেজি আটা?
কর্মচারী : লিয়াকত সাহেব।
মালিক : আর ঐ মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া সেমাইগুলো?
কর্মচারী : লিয়াকত সাহেবই সব নিয়ে গেছেন।
এমন সময় মালিকের মুখ কালো হয়ে গেল। কপাল দিয়ে ঘাম ছুটতে লাগলো। কর্মচারী ভয় পেয়ে জিজ্ঞাস করল- হুজুর আপনার কি শরীর খারাপ লাগছে?
মালিক : না, লিয়াকত সাহেবের বাসায় আজ আমার সপরিবারে দাওয়াত আছে।

ছাত্রীঃ স্যার দরজা জানালা বন্ধ করে দিন

ছাত্রীঃ স্যার দরজা জানালা বন্ধ করে দিন!
স্যারঃ কেন?
ছাত্রীঃ আপনাকে একটা গোপন জিনিস দেখাব!!!
স্যারঃ সত্যি??? (অবাক হয়ে)
ছাত্রীঃ হ্যাঁ, আগে সবকিছু বন্ধ করে দিন
যাতে আলো না আশে!!
স্যারঃ তারপর?? আর?
ছাত্রীঃ আমার কাছে আসেন
স্যারঃ ওহ !! তারপর? আর কি করবো বলো?
.
.
.
.
.
.
ছাত্রীঃ স্যার এবার দেখেন। আমার ঘড়িতে লাইট জ্বলে ! ! 😛 😛

মজা পাইলে লাইক দিতে ভুলবেন না।

বাড়ির সামনে একটা মরা গাধা পড়ে থাকতে দেখে বাড়ির মালিক আবুল মিয়া গেলেন পৌরসভায় খবরটা দিতে।

বাড়ির সামনে একটা মরা গাধা পড়ে থাকতে দেখে বাড়ির মালিক আবুল মিয়া গেলেন পৌরসভায় খবরটা দিতে।
আবুল: কমিশনার সাহেব, আমার বাড়ির সামনে একটি গাধা মরে পড়ে আছে, দ্রুত এর একটা ব্যবস্টা নিন।
কমিশনার: এটা তো আপনিই করতে পারেন, আর এটা তো আমাদের কাজের মধ্যে পড়ে না। বলেন কী!
আবুল: এটা পৌরসভার কাজ না?
কমিশনার: না, দেখুন, আমি কাজে বেস্ত আছি। আপনি গাধাটাকে দাহ করেন আর কবর দেন, যা করার বাড়ি গিয়ে করুন।
আবুল: ঠিক আছে। কিন্তু আমি যতটুকু জানি, কেউ মারা গেলে প্রথমেই তার নিকটাত্মীয়দের খবরটা দিতে হয়। তাই দিয়ে গেলাম!
জোকস বুঝতে পারলে লাইক দিন।